Saturday, 8 July 2023
ABOUT SHAHPARAN ROWNAK
Monday, 7 November 2022
মন কোথায় থাকে?
সমস্ত মানসিক ঘটনার জন্য দায়ী অনুষদের সেটকে মন বলে। এই অনুষদের মধ্যে চিন্তা, কল্পনা, স্মৃতি, ইচ্ছা এবং সংবেদন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত।
"মনের অবস্থান মাথায় বা মস্তিষ্কে"।
According to Cardiologist,
"মনের অবস্থান হৃপযন্ত্রে"।
According to Economist,
"মনের অবস্থান টাকায় আর টাকা থাকে ব্যাংকে" তাই, "মনের মূল অবস্থান ব্যাংকে"।
According to Poets,
"মন থাকে হৃদয়ে আর হৃদয় থাকে অন্যের কাছে" অর্থাৎ, মনের মূল অবস্থান অন্যের কাছে।
According to Psychologist,
"মন নদীর মতো। যার অচমকা ভাঙ্গন হয় তেমনি মানুষেরও মন ভাঙ্গে। আবার নদীতে চড় পড়ে, নদী আটকে যায়। তেমনি আমাদেরও মাঝে মাঝে চড় পড়ে... আমাদেরও মন থমকে যাই, আমরা বিষন্ন হই, আমাদের মনটা চাপের মধ্যে পড়ে যায়। নদীতে ঝড় হয়, আমাদের মনেও মাঝে মাঝে ঝড় হয়। আর সাধারণ ভাবে আমরা নদীকে যতটা অগভীর ভাবি প্রকৃতপক্ষে নদী তার চেয়ে বেশি গভীর হয়। মনও তেমনি মন যতটা দেখতে বা বুঝতে পারা যায় মন তার চেয়ে অনেক বেশি গভীর মন। যাকে দুই ভাগে ভাগ করে। যথা:
১. চেতন মন (Conscious Mind) এবং
২. অবচেতন মন (Sub - Conscious Mind)
আমরা কখনই মনের জন্য একটা নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দিতে পারি না... কারণ মন যার যারটা তার তার...
Friday, 16 September 2022
কেন কাঁদে মানুষ?
কেউ চলে গেলে মানুষ কাঁদে, এটা মানুষের স্বাভাবিক গতি।
Thursday, 2 June 2022
মাইকিং - এর শব্দটা কি যে যন্ত্রণাদায়ক...
তবে যদি এটা ঐতিহ্য ধরে কল্পনা করা হয়, তাহলে কল্পনার জগতে সুন্দর একটা চিত্র কল্পনা করা সম্ভব।
চিত্রটা হয় এমন হতে পারে,
উচ্চ জনবহুল একটা শহরের এমন একটা জায়গায় আপনি দাঁড়িয়ে আছেন যেখানে চৌরাস্তা/সোজা লম্বা রাস্তা আছে। আপনি স্থির দাঁড়িয়ে আছেন আর দেখছেন, আপনার চোখের সীমা যতদূর দেখতে পারছেন ততদূর মানুষ কেউ কর্ম ব্যস্ততায়, কেউ টং - এর দোকানে চা বিক্রি করছে আবার কেউ গ্লাসের সাথে চামুচের টিং টিং শব্দের মাধ্যমে মিশে যাও দুধ, চিনি দেওয়া চা খাচ্ছে। কেউ ভ্যান, রিক্সা, আটো, মোটরসাইকেল, সাইকেল, গাড়ি ইত্যাদি চালাচ্ছে। কেউ আবার ঐ চলন্ত রিক্সায় তাড়াহুড়ো, চঞ্চলতা নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাচ্ছে। আবার কেউ রিক্সায় বসে পরিবেশ উপভোগ করছে। আর লম্বা রাস্তার দুই পাশে থাকা ফুটপাতটি জোরদখল করে জীবিকার টানে কিছু ছোট ছোট কাপড়, তালা-চাবি মেরামতকারীর, ঝালমুটির, চটপটি-ফুচকা কিংবা বিভিন্ন জুস কর্ণার বা ফুড কর্ণারে দোকান তাদের মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য আর জীবিকারটানে দর-দাম হাকাচ্ছে। ক্রেতারাও প্রয়োজনের তাগিদে ৫ টাকার পণ্য ১০ টাকায় কিনার জন্য ভীড় করছে।
আগে যেখানে ১০টাকা ঝাল মুড়ি বানাতে ৭-৮ মুট মুড়ি নিতো সেখানে আজকের সময় ব্যবসায়ীরা ১০ মুট মুড়ি নিয়ে চামুচ ব্যবহার করে দুই মুট সমপরিমাণ মুড়ি ১০টাকা করে ৫ জনের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। আপনাকে বুঝতে হবে এ শহরে পণ্যের মূল্য অনেক বেশি, কমতেই চায় না।
কিছুক্ষণ পর শুনতে পেলেন কেউ সালাম দিলো আপনি গোড় কাটিয়ে চমকে সালামের উত্তর দিলেন, সালাম দেওয়া মানুষটি বললেন ভাইয়া আমি অমুক পদে আমুক ওয়ার্ডের, অমুক মার্কার নিয়ে নির্বাচন করছি, আপনার মূল্যবান ভোট টা অমুক মার্কায় দিবেন। এই বলে, লিফলেট একটা ধরিয়ে দিয়ে কেটে পড়লো।
আর আপনি আবারও গোড়ে চলে গেলেন কারণ পুরো কল্পনার জগতে তো আপনি আপনার ভোটার আইডি নেন নি.. 🤣।
Thursday, 2 September 2021
করোনার এই প্রকট মূহুর্তে অর্থ উপার্জনের আশা দিচ্ছি, প্রয়োজন ধৈর্য্য।
করোনার এই প্রকট মূহুর্তে অর্থ উপার্জনের আশা দিচ্ছি। প্রয়োজনীয় উপকরণ:- ধৈর্য্য, ভালো মানের মোবাইল/কম্পিউটার, ইন্টারনেট আর কাজের দক্ষতা।
কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হবেন না, আজ জানবেন কিভাবে অর্থ উপার্জন করবেন এই প্রতিকূল মূহুর্তে।
আমরা প্রত্যেকেই বিগত কিছু বছর যাবৎ ফ্রিল্যান্সিং - এর কথা শুনে আসছি। এমন কি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, "চাকরি নয়, ফ্রিল্যান্সার হও"।
পর্ব - ১
ফ্রিল্যান্সিং অর্থ "মুক্তিপেশা"। ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের এবং দেশের বাহিরের অনলাইন ভিত্তিক কাজের চাহিদাগুলো পূরণ করে তার বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ উপার্জনের প্রক্রিয়াই ফ্রিল্যান্সিং।
ফ্রিল্যান্সিং - এর বর্তমানে সবচেয়ে বড় মার্কেট কোনটি, জানেন?
না, জানলে পড়তে থাকুন। পড়তে পড়তে জেনে যাবেন।
ফ্রিল্যান্সিং - এর অনেক ক্ষেত্রে রয়েছে এর বিস্তৃর অকল্পনীয়। তবে, বর্তমান বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং - এর সবচেয়ে জায়েন্ট মার্কেট "ডিজিটাল মার্কেটিং"।
সহজ ভাষায় বলা চলে, ব্যবসায় মুনাফা অর্জনের জন্য যে মার্কেটিং করা হয় তার ডিজিটাল রূপকেই ডিজিটাল মার্কেটিং বলা হয়।
ধরে নিন, আপনার একটি ছোট্ট কাপড়ের ব্যবসা আছে এবং আপনি চাচ্ছেন আপনার ব্যবসায়টির সম্পর্কে মানুষ জানুক। কিন্তু, কোনো ভাবেই আপনি ব্যবসায় মুনাফা অর্জন বা মানুষকে জানাতে পারছেন না। ঠিক তখনই ডিজিটাল মার্কেটিং - এর প্রয়োজন হবে। কারণ, বর্তমানে ক্রেতারা শারীরিকভাবে দোকানে যাওয়া থেকে ঘরে বসে ক্রয় করতে বেশি পছন্দ করে। আর বর্তমান মানুষ তার জীবনে অনেকটা সময় Google, facebook, Instagram, WhatsApp ইত্যাদি আরো অনেক সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ব্যয় করে। আপনি যদি আপনার ব্যবসায়ের মার্কেটিং - টা ঐ সকল সামাজিক মাধ্যমে ঠিক প্রচার করেন তাহলে আপনার ব্যবসায়ের পরিচিতি সৃষ্টি হবে পাশাপাশি মুনাফাও অর্জনের সফলতা লাভ করেন।
আগামী পূর্বে ডিজিটাল মার্কেটিং - এর ভিন্ন শ্রেণি নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১. কনটেন্ট মার্কেটিং
২. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
৩. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
৪. সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং
৫. ইমেইল মার্কেটিং
৬. এসএমএস মার্কেটিং
৭. ওয়েব এনালাইটিক্স
আজ আমরা কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করবো...
কনটেন্ট মার্কেটিং:
ব্যবসায়ের প্রচারে কনটেন্ট একটি অতিভ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, কোনো পণ্য ক্রেতার নিকট বিক্রয় করার জন্য ক্রেতাকে বুঝাতে হবে কেন আপনার পণ্যটি বাজারের অন্য সকল পণ্য অপেক্ষা সেরা। ক্রেতাকে বুঝানোর এই প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল মাধ্যমে ব্লগ, পোস্ট, ছবি কিংবা ভিডিও - র মাধ্যমে প্রচার করার প্রক্রিয়াকে কনটেন্ট মার্কেটিং বলে।
কেন কনটেন্ট মার্কেটিং করবেন?
ধরে নিন, আপনি টিভি - তে একটি অনুষ্ঠান উপভোগ করছেন। হঠাৎ - ই একটা প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয়ের বিজ্ঞাপন দিয়েছে, আর আপনার এখন প্লট বা ফ্ল্যাট কেনার কোনো পরিকল্পনাই নাই। একটু ভাবুন তো এই এই বিজ্ঞাপন আপনার কোনো কাজে আসবে কি না?
এবার আবার কল্পনা করুন, আপনি ইউটিউবে বার্গার কিভাবে বানায় তার ভিডিও দেখছেন তার মাঝেই একটা ইউটিউবে একটা বিজ্ঞাপন দিলো কোনো সসটা বার্গারের জন্য বেস্ট হবে।
কনটেন্ট মার্কেটিং - টাও ঠিক এমন ক্রেতার পছন্দের প্রয়োজনীয় জিনিস গুলোকে ব্লগ, পোস্ট বা ভিডিও আকারে ক্রেতাকে সেবা দেয় ও ক্রয় করতে প্রলোভিত করে থাকে।
পর্যায়ক্রমে আমারা বাকী বিষয় সম্পর্কেও বিস্তারিত জানবো।
ততক্ষণে ভালো থাকেন সুস্থ থাকবেন।
আস-সালামু আলাইকুম।
Saturday, 31 July 2021
আমি আর আমার দুই বন্ধু
আমি আর আমার দুই বন্ধু
নিচের ছবি দুটো আসলেই স্মরণীয়। দেখলেই মনে পরে সেই দিনের কথা, হাসিও পায় অনেক।
পায়ে হেঁটে ভ্রমণ সরকারি কলেজ থেকে কুমিল্লা সেনানিবাস (আর্মি স্টোর):
কলেজের অনুষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে বিএনসিসি সর্বদা নিরলস, থাকে না ক্লান্তি থাকে না বহিঃচিন্তা। লক্ষ্য একটাই আগামীদিনের আয়োজনে অনন্য নজির স্থাপন। যা বরাবর আমরা করে এসেছি।
তবে তার মাঝে লুকিয়ে আছে অজস্র মজার ঘটনা।
প্লাটুন থেকে রওনা হলাম আমি, ক্যাডেট কর্পোরাল মেরাজ, ক্যাডেট কর্পোরাল রাফি গন্তব্য আর্মি স্টোর পরবর্তী আয়োজনের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনবো।
তবে বিপত্তি ঘটলো এখন, তিন বন্ধু কথা বলতে বলতে আমরা রেসকোর্স উড়াল সেতু পাড় করে যেখান থেকে লেগুনায় উঠার কথা ছিল তারো অনেকটা সামনে চলে যাই যদি সে দিন লেগুনা ভারি সংঙ্কট লক্ষণীয়। ময়নামতি রেজিমেন্ট - এর কাছাকাছি গিয়ে আমাদের টনক নড়লো আমরা অনেকটা পথ চলে এসেছি হেঁটে। আসবো নাই বা কেন আমাদের প্রিয় ক্যাডেট কর্পোরাল রাফি লেগুনা না পেয়ে এক অমর বাণী প্রদান করে ছিল যার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি আর ক্যাডেট কর্পোরাল মেরাজ হাঁটা শুরু করি। ক্যাডেট কর্পোরাল রাফি - র বাণীটি ছিল,
দোস্ত চল হাইট্টা যাইগা বেশি না দশ মিনিটের রাস্তা। দশ মিনিট লাগবো।
তার বাণী মেনে ৫৫ মিনিট হাঁটার পড় ক্যাডেট কর্পোরাল মেরাজ আবিষ্কার করলো যদি একটি বাস ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে চলে তাহলে আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে ১০ মিনিট লাগে। আর সে জায়গাতে আমরা তিনজন হাঁটছি। বুঝেন ব্যাপারটা।
প্রায় ১ ঘন্টা পর আমরা একটি ছোট ক্যাফে থেকে সামান্য পানীয় পান করলাম, করতে করতে রাফি আবার সেই বাণী প্রদান করলো, আরে রাখ! আর দশ মিনিট লাগবো যাইতে। (মেরাজ কথা টা শুনে কি যে করলো)
তবে তিন জনের কারোই ক্লান্ত বা রাগী মনোভাব প্রকাশ হলো না বরং আমরা বিশ্ব রোডের পাশে থাকা পায়ে হাঁটার রাস্তা ধরে হাঁটছিলাম, বালি চোখে মুখে বালি ঢুকছে আর আমরা তিন জন চশমা, রোদ প্রতিরোধক চশমা পড়ে বিন্দাছ ছবি তুলতে তুলতে এগিয়ে যাচ্ছিলাম যার মধ্যে আছে উপরের দুইটি ছবি।
হাঁটতে হাঁটতে সেনানিবাসের সামনে পৌঁছাতে আমাদের প্রশান্তি এলো যাক, তবে এলাম তার পর আর্মি স্টোরের কাজ শেষ করলাম।
ফেরার পথে:
মেরাজ বললো,
চল আবার হাইট্টা হাইট্টা যাই।(মজার ছলে)
রাফি বললো,
পাগল নাকি গাড়িতে উঠ বেডা।
তার পর গাড়িতে করে রেসকোর্স উড়াল সেতু পর্যন্ত তার পর আবার হেঁটে হেঁটে প্লাটুনে এসে পৌঁছাই সন্ধ্যা ৭:৩৬ নাঘাত। তারপর ঘটে আরেক ঘটনা সেটা আসলে কোচিং সংক্রান্ত অন্য একদিন বলবো।
Monday, 17 May 2021
প্রেমের স্থায়ীত্বকাল কত দিন?
প্রেম হল অন্য কোন ব্যক্তির প্রতি কোন ভালোবাসার অনুভূতি, বা কোন দৃঢ় আকর্ষণ, এবং এসকল বিষয়ের ফলে সৃষ্ট আবেগ-অনুভূতি প্রকাশের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক বিয়ের নিমিত্তে বিবাহপূর্ব সম্পর্ক গঠনকারী আচরণাবলি প্রকাশের পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
প্রেমের স্থায়ীত্বকাল কত দিন?
প্রেমের স্থায়ীত্বকাল তিন মাস।-মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
বিজ্ঞান কি বলে?
বিজ্ঞানের মতে, প্রেমে স্থায়ীত্বকাল চার বছরের কিছু বেশি।
তারপর কোনো এক প্রান্তরে শেষে সে প্রেম ফিরে পেতে চায় তার পূর্ব বন্ধুত্বতা।
তাহলে,
বন্ধুত্বতা কি?
Friendship is the only cement that can always keep the world together.
-Emerson
বন্ধুত্ব গড়তে ধীরগতি হও। কিন্তু বন্ধুত্ব হয়ে গেলে প্রতিনিয়তই তার পরিচর্যা করো।
বর্তমানে প্রেম এক অভিজাত্যত বটে, তবে তার স্থায়ীত্বকালের বড়ই অভাব।
কখনো কখনো তো বিজ্ঞানের মতবাদকেও হাড় মানিয়ে দিচ্ছে।
তবে বন্ধুত্বতা বড়ই দৃঢ়। তবে বর্তমানে তাতেও দেখা দিচ্ছে বিভেদ তারপর প্রেম থেকে বহুল উত্তম।
বন্ধুত্ব যদি শ্রী মন সম্পূর্ণ মানুষের সাথে গড়ে তোলা যায় তবে কোনো বিপত্তি ঘটে না বরং তা দীর্ঘস্থায়ী ও অভিনব ওঠে প্রতিনিয়তই।
গোলাপ যেমন বিশেষ জাতের ফুল বন্ধু তেমনি বিশেষ জাতের মানুষ।
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আসো বন্ধু হই, আবদ্ধ হই চিরকালের তরে।
আর প্রেমের সম্পর্কে বন্ধুত্ব আর সম্মান টিকিয়ে রাখতে পারে না অনেকেই।
তাই হয় তো সুর্বণা মোস্তফা তার অভিজ্ঞতা থেকে বলেছেন,
"বন্ধুত্ব ও সম্মান ছাড়া সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মানে হয় না।"
সর্বোপরি, প্রেম যদি হয় এভারেস্ট তবে বন্ধুত্ব তার শীতলতা।
তাই বন্ধুত্ব পরিচর্যা করি জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করি।
[বি. দ্র.:- জেনে রাখা ভালো, ইসলামী আইন অনুসারে বিয়ের বহিৰ্ভূত ছেলে-মেয়েদের যে কোনো সম্পৰ্ক হারাম।]
আমাদের সমাজের ও দেশের মানুষের মানসিকতায় অনেকখানী পরিবর্তন নিয়ে আসতে হবে।
আপনার যে কোনো মন্তব্য নিচে লেখতে পারেন।
ধন্যবাদ।
Monday, 10 May 2021
চিত্রশিল্পের সাথে সামরিক বাহিনীর এক কাল্পনিক মিলন (An Imaginary Union of the Military with Art)
চিত্রশিল্পের সাথে সামরিক বাহিনীর এক কাল্পনিক মিলন
আজ কোনো এক অকারণে আমার রং-তুলিগুলো দেখছিলাম পাইচারি করতে করতে। হঠাৎ, রং-তুলি আর চিত্ৰশিল্পীর সাথে সামরিক বাহিনীর একটা অতি সাধারণ বৈচিত্ৰ্যময়তা আবিষ্কার করলাম। কেমন?
আমার মনে হলো, যুদ্ধ ও এক প্রকার শিল্প/আর্ট।
যেখানে,
'অঙ্কন কাগজ' হলো "যুদ্ধক্ষেত্ৰ"।
'রং' হলো "বিভিন্ন বৈচিত্ৰ্যময়ী অস্ত্র"।
'তুলি' হলো "শৃংখলিত সৈনিক দল"।
'শিল্পী' হলো "উচ্চপদস্থ কমিশন অফিসারগণ"।
এটা কতটা যৌক্তিক বা অযৌক্তিক মনে হবে আপনার কাছে আমি বলতে পারছি না তারপরও আপনাদের মাঝে মুক্তভাবে ব্যক্ত করলাম। ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং যৌক্তিক কিংবা অযৌক্তিকতা মন্তব্যে প্রকাশ করে জানাবেন।
[একান্তই নিজস্ব চিন্তা]
English Translation:-
An Imaginary Union of the Military with Art
Today, for some reason, I was looking at my paintbrushes while walking. Suddenly, I discovered a diversity of the army with colors, brushes and Artists. How?
I think, War process is a kind of Art.
Like,
'Canvas' is "The War Zone"
'Color' is "A Variety Of Weapons".
'Brush' is "A Chained Soldier".
'Artist' is "The Commissioned Officers".
I can't tell you how logical or unreasonable it would seem, yet I have expressed it freely among you. If I make a mistake, look at it with an apologetic look and express your logic or irrationality in the comments.
[Exclusively own thinking]
মন্তব্য ছকে নম্রতা বা Comments Section Politeness
মন্তব্য ছকে নম্রতা
মন্তব্য ছক কিছু সংখ্যক মানুষকে ভদ্রতা/নম্রতা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ।
মনে করেন একজন গুণী ব্যক্তি/আত্নীয় বা ধরেন একজন বিসিএস ক্যাডার যার আইডির নাম কখগ {যেহেতু দেশের সবচেয়ে মেধাবী মানুষ ও উচ্চপদস্থ সম্মানিত পদগুলো এখানে (বাংলাদেশ)} তিনি আপনার পোষ্টে বা ছবিতে কিছু একটা মন্তব্য করলো তখন তাঁর প্রতিউত্তরটি কিভাবে করবেন?
আমি যত জায়গায় যত বার এই বিষয়টা দেখেছি তার অধিকাংশ সময়ই প্রতিউত্তর হয় এমন,
কখগ (Facebook algorithm-এর কারণে Bold হরফে লেখা থাকে) ব্লা ব্লা ব্লা (আপনার প্রতিউত্তর)।
উদাহরণ -
মন্তব্য: কখগ - চমৎকার।
প্রতিউত্তর: কখগ ধন্যবাদ। (এমন কিছু একটা)
এখন কথা হলো যিনি মন্তব্য টা করছে তিনি তো আপনার মা-বাবা, ভাই-বোন বা আত্মীয় কিংবা শিক্ষক/গুরু। সামনাসামনি হলে তো মা-বাবা, আপু-ভাইয়া, চাচ্চু-চাচি, স্যার-স্যার করে নামের সম্মান প্রদর্শন করে গলা ফাঁটাইয়া ফেলতেন তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ঐ সম্মান কোথায় যায়?
যাকে সম্মান করবেন তাকে করার মতো করেন, দেখানো সম্মান এখন সবাই করে। যদি আসলেই সম্মান প্রদর্শন করেন তাহলে সঠিক সম্বোধনের মধ্যমে করেন তাতে একটা সৌন্দর্য পরিলক্ষিত হবে।
আজ থেকে প্রতিউত্তর গুলো এভাবে দেওয়ার অনুশীলন করুন,
প্রতিউত্তর কি টিপ দিলে তো আইডির নাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে মন্তব্য ছকে দেখাবে তারপর আপনার সাথে ঐ ব্যক্তির সম্পর্ক যা তা দিয়ে সম্বোধন করুন, (তারপর একটা কমা দিতে পারেন) এবার আপনার উত্তরটি দিন।
উদাহরণ:-
মন্তব্য: কখগ - চমৎকার।
আপনার প্রতিউত্তর : কখগ স্যার, ধন্যবাদ। ❤️
এভাবে উত্তর দিলে নিজের কাছেই ভালো লাগবে একবার করেই দেখুন।
Mind Satisfaction is the most important and precious thing in the world. 💝
যদিও অনেকের কাছে বিষয়টা সাধারণ দৃষ্টিতে বিষাক্ত/খারাপ মনে নাও হতে পারে, তবে হতেই বা কতক্ষণ?
আমি যদি ভুল কিছু লিখি তাহলে আমার ভুলটুকু ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ভালোবাসা। 🥰
#Comments_Section_Politeness
English Translation:
Comments Section Politeness
The comment section is taking some people away from politeness/humility.
How do you think a talented person / relative or a BCS cadre whose ID is called XYZ {since the most talented people in the country and high-ranking dignitaries are here (Bangladesh)} made a comment in your post or photo?
Most of the time I've seen this thing in places where the answer is,
XYZ (written in Bold because of the Facebook algorithm) Blah blah blah (your reply).
Example -
Comment: XYZ - Excellent.
Reply: Thank you very much. (Something like that)
Now the person who is making the comment is your parents, siblings or relatives or teacher / guru. If it was face to face, then mother-father, brother-in-law, uncle-aunt, sir-sir would show respect by name and then would break their throats, then where does that respect go on social media?
You do what you want to do with respect, now everyone shows respect. If you really show respect, if you do it through the right address, there will be a beauty in it.
Practice giving answers like this from today,
If you tip the answer key, the name of the ID will automatically appear in the comments table, then address the person's relationship with you, (then you can give a comma). Now give your answer.
Example: -
Comment: XYZ- Excellent.
Your reply: XYZ sir, thank you. ❤️
If you answer in this way, you will like it once.
Although to many it may not seem toxic / bad in general, but for how long?
Mind Satisfaction is the most important and precious thing in the world.
Saturday, 8 May 2021
বিশ্ব মা দিবস (World Mother's Day)
"বিশ্ব মা দিবস"
আমি বোধ করি, পৃথিবীতে যদি এমন কোনো শব্দ থেকে থাকে যা উচ্চারণ করার মাধ্যমে মনে প্রশান্তি বয়ে, তাহলে সেই শব্দটি হলো "মা", "আম্মু" বা "আম্মা"।
"মা" আর সন্তানের মাঝে নাড়ির টান যা "মা" ছাড়া অন্য কেউ অনুভব করতে সক্ষম নয়।
"মা"- রা নিমগাছের ন্যায়।
কারণ, নিমগাছের অগ্রভাগের ছোট্ট পাতা থেকে পশ্চাৎ ভাগের শিশু শিকড় পর্যন্ত যা আছে সব উপকারি ও মহা ঔষধি। কিন্তু ইনি এমন এক গাছ যাকে দরকার ছাড়া কেউ তার দিকে ফিরেও তাকায় না। গাছটি গোড়ায় কেউ পানি দিতে যায় না, বয়সের ছাপ প্রকাশ পায় তার গোড়া দেখলে, পাতা পড়ে - পঁচে স্তুপ পরিষ্কার করার কেউ নেই। কিন্তু নিমগাছ মোটেও স্বার্থপর নয়। গাছটি তার সর্বোচ্চ সীমা ত্যাগ করে মানুষের মঙ্গলের জন্য। সে কথা না বললেও তার আচরণে একটা কথা প্রকাশ পায় তা হলো, "সে আপনজনকে ভালো রাখতে নিজেকে ত্যাগ করে।"
বিশ্বে বুকে যত মা ছিল, আছে এবং হবে প্রত্যেকেই হবে নিমগাছের ন্যায়। সন্তানদের দিকে তাকিয়ে কত জনের কত কথা হজম করে যান তারা, কত কষ্ট করে সন্তানদের লালন-পালন করেন, কিন্তু আমরা প্রায়ই নিজে জেনে কিংবা না জেনে, বুঁজে বা না বুঁজে খারাপ ব্যবহার করে ফেলি যা কখনই কাম্য নয়।
মায়েরা শত কষ্টের বিনিময়ে কিছু চায় না শুধু প্রার্থনা করে সন্তানরা যেন সুস্থ ও দুধে-ভাতে জীবন নির্বাহ করে।
"মা" কে নিয়ে কথা বলার যোগ্যতা বা দক্ষতা আমার নেই।
আমার আম্মু যিনি ভোর ৫ টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত নিরলস কর্মময়ী নারী। যার ইচ্ছে অনুযায়ী আমি এখনো কিছু করে উঠতে পারি নি। তবে ইচ্ছে আছে আম্মুর সামনে দিনে গুলো আনন্দমন্ডিত করার। আম্মু যা কিছু ত্যাগ করেছে তার প্রতিদান যোগ্যতা আমার নেই বিশ্বের সর্বোচ্চ সনদ অর্জন করলের সেই যোগ্যতা হবে। কারণ, "মা" শুধুই "মা"।
ইসলাম ধর্ম "মা"- দের দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান।
"মায়ের পায়ের নিচে সন্তানে বেহেশত"
-হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)
বিশ্বে প্রত্যেক "মা"- কে হৃদয় বিজড়িত শুভেচ্ছা।❤
পরিশেষে, সকল পাঠকের প্রতি আমার আকুল অনুরোধ: আসুন আমার একটি নির্দিষ্ট দিনে মা - বাবা দিবস পালন না করি প্রতিদিন ভালো কিছু করি। কারণ তাদের ঋণ অপরিশোধ যোগ্য।
তাই আগামী সালাত বা প্রার্থনা থেকে আসুন মা - বাবার জন্য দোয়া করি।প্রত্যেক সালাতের শেষ বৈঠকে সকল দোয়া পড়ার পর মহা আল্লাহ-র (মা-বাবার জন্য) শিখিয়ে দেওয়া দোয়াটি অবশ্যই পড়বেন। অন্তরে প্রশান্তি মিলবে।❤️
সকল ধর্মের মানুষেরই এই কাজটি করা উচিত।
English Translation
"World Mother's Day"

ভাব নাকি অনিহা (Thought" or" Reluctance)
"ভাব" নাকি "অনিহা"
মানব জীবনে ব্যবহার হয় যখন একজন অন্য জনের সাথে কথা বলতে বা কিছুর অংশীদার করতে চায় কিন্তু বিপরীত দিকের মানুষ তার প্রতি সহানুভূতিশীল থাকে না। (দুই বা ততোধিক হতে পারে)
কিন্তু আমার কাছে মনে হয়, জিনিসটাকে ভাব না বলে অনিহা বললে আরো বেশি কার্যকর হয়। কেন না "অনিহা"-র ব্যখ্যার সঙ্গে মিলে যায়।
ভাব মানুষের স্বাভাবিক গতি। ভাব একটি সৌন্দর্য।
আপনি যদি একটি চেয়ারে বসে থাকেন সেখানে বসে থাকার ভঙ্গিটা ভাব। নিজের মধ্যে অনন্য কিছু যা সচরাচর দেখা যায় না ঐসব অনন্য চারিত্রিক ভঙ্গিগুলো বা বৈশিষ্ট্যগুলো ভাব হতে পারে। তবে তা হতে হবে মার্জিত। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমরা অনেক আধুনিক হয়েছি তবে তা সীমাবদ্ধ মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, স্মার্ট ওয়াচ ইত্যাদি - তে।
মননশীতায় আধুনিকায়ন না হলে অনিহাকে ভাব বলে কাজ চালিয়ে দিবেন। ❤️
English Translation
"Thought" or" Reluctance"
Used in human life when one wants to talk to another person or share something but people on the opposite side are not sympathetic to him. (Can be two or more)
But it seems to me that reluctance to think about the thing is more effective. Why not match the definition of "Reluctance".
Thought is the normal speed of man. Thought is a beauty.
If you are sitting in a chair, think of the posture of sitting there. Something unique in itself that is not commonly seen may be the expression of those unique characteristic postures or features. But it must be elegant. We have become very modern with the touch of modernity but it is limited to mobiles, laptops, computers, smart watches etc.
If there is no modernization in mindfulness, you will continue to work as an idea. ❤️
-
ABOUT SHAHPARAN ROWNAK By birth, I am a Bangladeshi . I’m a man of the twenty-first century. My whole educational career, from basic sch...
-
সমস্ত মানসিক ঘটনার জন্য দায়ী অনুষদের সেটকে মন বলে। এই অনুষদের মধ্যে চিন্তা, কল্পনা, স্মৃতি, ইচ্ছা এবং সংবেদন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। Accordin...
-
করোনার এই প্রকট মূহুর্তে অর্থ উপার্জনের আশা দিচ্ছি। প্রয়োজনীয় উপকরণ:- ধৈর্য্য, ভালো মানের মোবাইল/কম্পিউটার, ইন্টারনেট আর কাজের দক্ষতা। কি ...














